Samhati
৪:৫৮ পিএম
২৯ জুন ২০১৪

একাত্তরে রণাঙ্গন : শিবপুর

হায়দার আনোয়ার খান জুনো

একাত্তরে রণাঙ্গন : শিবপুর

১৯৭১ সালের জাতীয় মুক্তিযুদ্ধে বামপন্থীদের যে অসমসাহসী ভূমিকা ছিল, সে কথা খুব বেশি প্রচারিত হয় না। নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলায় ‘কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের পূর্ব বাংলা সমন্বয় কমিটির নেতৃত্বে যে ব্যতিক্রমধর্মী যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল তার বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে এই বইয়ে।

লেখক নিজে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং ১৯৭১ সালের নয় মাসের বেশিরভাগ সময় শিবপুরেই কাটিয়েছেন। কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের পূর্ব বাংলা সমন্বয় কমিটির তদানীন্তন নেতারা বিভিন্ন লেখায় ও সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, দেশের অভ্যন্তরে তাদের নেতৃত্বাধীন ১৪টির মতো সশস্ত্র ঘাঁটি ছিল এবং শিবপুরে ছিল হেড কোয়ার্টার।

এই গ্রন্থে যুদ্ধের বিবরণ ছাড়াও, জনগণের বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া, প্রবাসী সরকারের সাথে সম্পর্ক, মুজিব বাহিনীর তৎপরতা, ভারতের প্রশাসনের ভূমিকা ও ভারতের মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়ে ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা পাওয়া যাবে।

হায়দার আনোয়ার খান জুনো
ডিসেম্বর ১৯৪৪-এ কোলকাতায় জন্ম। ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যার ওপর মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ। ১৯৭৫ সালে পদার্থবিদ্যার ওপর দুই খণ্ডের ডিগ্রি পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তক রচনা করেন বাংলা ভাষায়।

ছাত্রজীবন থেকেই কমিউনিস্ট রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ১৯৬২ সালে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনের সময় কারারুদ্ধ হন। ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সক্রিয় সংগঠক। তখন তিনি ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সহ-সভাপতি। তিনি বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (১৯৭০-১৯৭২)। ‘কম্পিউনিস্ট বিপ্লবীদের পূর্ব বাংলা সমন্বয় কমিটি’ ও পরবর্তী সময়ে লেনিনবাদী কমিউনিস্ট পার্টির (যা পরে ওয়ার্কার্স পার্টি নাম গ্রহণ করে) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৭৪ সালে ‘ইউপিপি’র অন্যতম সম্পাদক নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি ‘বাংলাদেশ কিউবা মৈত্রী সমিতির সহ-সভাপতি এবং গণসংস্কৃতি কেন্দ্রের চেয়ারম্যান।

প্রকাশকাল : ডিসেম্বর ২০১১
প্রচ্ছদ : সব্যসাচী হাজরা 
দাম : ১৩০ টাকা/১০ ডলার 
আইএসবিএন : ৯৭৮-৯৮৪-৮৮৮-২১১-৭